বগুড়া জেলা যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, সদর উপজেলা যুবদলের নামে সাজানো অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা চলছে। তিনি এ ঘটনাকে “ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ” বলে আখ্যা দিয়েছেন।
বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমাদের কর্মীরা কখনোই জনসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করে না কিংবা সাধারণ মানুষের যানবাহন ভাঙচুরের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত নয়। কিন্তু পলাতক ফ্যাসিস্টের দোসর ও অসাধু মহল পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর মাধ্যমে ঘাপটিমারা আওয়ামী দুষ্কৃতিকারীরা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।”
তিনি আরও বলেন, “ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবেলায় দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। নইলে দেশ আবারো অশান্তির দিকে ধাবিত হতে পারে।”
এসময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “যে কোনো দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ, ব্যক্তিস্বার্থে দলকে ব্যবহার বা সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের চেষ্টা মোটেই বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনে বেআইনি কাজে জড়িতদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে জেলা যুবদল সভাপতি তিন দফা দাবি জানান—
১. মিথ্যা অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা।
২. রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে বিরত থেকে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত না করা।
৩. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা তথ্য দ্রুত অপসারণ ও সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “বগুড়া জেলা যুবদল ও সদর উপজেলা যুবদল জনগণের স্বার্থরক্ষা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার আন্দোলনে সবসময় শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করছে। কোনো অপপ্রচার বা ষড়যন্ত্র আমাদের এই আন্দোলন থেকে সরিয়ে রাখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।”