মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বগুড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক, মোকাররম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি বগুড়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, এবং ছাতাপট্টি ও লাইন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
নিজের ৪০তম জন্মদিনে তিনি মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার খাদাস বাজারের ৯ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী শিশু রেবেকা খাতুনকে নগদ অর্থ সহায়তা এবং চিকিৎসার ওষুধ প্রদান করেন।
রেবেকা মৃত রব্বানী মিয়া ও তাসলিমা বেগম দম্পতির কন্যা। সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে জাহিদুল ইসলাম জাহিদের এই সহায়তা কেবল একটি জন্মদিনের উপলক্ষ নয়, বরং তাঁর মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।
উল্লেখ্য, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ের রোগী কল্যাণ সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবায় নিয়োজিত আছেন।জাহিদ বলেন, “সমাজের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। মোকাররম ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা চেষ্টা করছি মানুষের দুঃখ-দুর্দশার সময় পাশে থাকতে।”
তিনি জানান, “সমাজের দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মোকাররম ফাউন্ডেশনের একটি নিয়মিত কার্যক্রম। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফাউন্ডেশনটি প্রায় পাঁচ শতাধিক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে।”
মোকাররম ফাউন্ডেশন শুধু আর্থিক সহায়তাতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং শীতবস্ত্র বিতরণ, বন্যার্তদের সহায়তা, এলাকার উন্নয়নমূলক উদ্যোগ এবং তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।
এছাড়াও এলাকার মানুষকে ধর্মীয় বিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিবছর সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে কোরআন তাফসীরুল ও ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করে থাকেন এই সমাজসেবক।
ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিক জনকল্যাণমূলক ও ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন মোকাররম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল বগুড়া রোগী কল্যাণ সমিতির সম্পাদক আসমাউল হুসনা এবং মোকাররম ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোস্তাকিম হোসেন।
জন্মদিনে অন্যকে সহায়তা করা— সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুসরণযোগ্য উদাহরণ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।