৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা পরিশোধের দাবিতে বগুড়ায় সাবেক গ্রামীণফোন কর্মীদের প্রতিবাদ
ডেস্ক রিপোর্টঃ
২০১০-২০১২ সালের ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা পরিশোধের দাবিতে বগুড়ায় গ্রামীণফোনের রিজিওনাল অফিসের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনরত সাবেক গ্রামীণফোন কর্মচারীরা।
শুক্রবার (১২ জুন) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া শহরের সাতমাথা এলাকায় অবস্থিত গ্রামীণফোনের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাবেক কর্মচারীরা অংশ নেন এবং দীর্ঘদিন ধরে অনিষ্পন্ন থাকা তাদের দাবি দ্রুত নিষ্পত্তির আহ্বান জানান।
আন্দোলনকারীদের দাবি, ২০১০ সালে মোবাইল ফোন অপারেটর খাতকে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল আন্ডারটেকিং’ হিসেবে ঘোষণার পর তারা ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড (WPPF) ও ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার ফান্ড (WWF)-এর সুবিধা পাওয়ার অধিকার অর্জন করেন। তবে পরবর্তী আইনি জটিলতার কারণে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের প্রাপ্য অর্থ বিতরণ দীর্ঘ সময় বিলম্বিত হয়।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তীতে মূল পাওনা পরিশোধ করা হলেও অর্থ দীর্ঘদিন আটকে থাকার কারণে যে ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা মনে করেন, তা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। এ দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত বিষয়টির নিষ্পত্তির দাবি জানান। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ সমস্যার কারণে বহু সাবেক কর্মচারী ও তাদের পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
আন্দোলনকারীরা আরও জানান, ২০২৩ সালে সংশ্লিষ্ট রিট মামলা প্রত্যাহারের পর বিষয়টির সমাধান হবে বলে তারা আশা করেছিলেন। তবে তাদের দাবি অনুযায়ী, এখনো বকেয়া নিষ্পত্তির বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তারা আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।
কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, তারা কোনো ধরনের সংঘাত বা বিরোধ নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য, ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী সমাধান প্রত্যাশা করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনরত সাবেক কর্মচারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সংলাপের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ বিষয়টির দ্রুত ও মানবিক সমাধান হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত হাজারো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার উপকৃত হবে এবং দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটবে।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনটিতে উল্লিখিত দাবিগুলো আন্দোলনরত সাবেক কর্মচারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে গ্রামীণফোন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা হবে।