আজ বিশ্ব বাবা দিবস।
মোঃফরমান উল্লাহ,ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
আজ বিশ্ব বাবা দিবস। সন্তানের জীবনে ভালোবাসা, সাহস, নিরাপত্তা ও নির্ভরতার প্রতীক হলো বাবা। বাবাদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য এই দিনটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে।
প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার দিবসটি সারা বিশ্বে বাবা দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। আজ রবিবার(২১ জুন)বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনসটি বিশ্ব বাবা দিবস পালন করা হচ্ছে। যদিও এর সূচনা হয়েছিল পশ্চিমা বিশ্বে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিবসটি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাবার অবদান ও দায়িত্বের প্রতি সামাজিক স্বীকৃতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই বাবা দিবসের প্রচলন শুরু হয়। ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্ট এলাকার একটি গির্জায় প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়। পরে ১৯১০ সালের ১৯ জুন সোনোরা স্মার্ট ডডের উদ্যোগে বিশেষভাবে বাবা দিবস পালিত হয়, যা পরবর্তীতে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়।
এরপর ধীরে ধীরে দিবসটি জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে। ১৯১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বাবা দিবসকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ এ উদ্যোগকে সমর্থন দেন এবং ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির স্বীকৃতি দেন।
বছরে একটি মাত্র দিনকে বিশেষ মর্যাদায় বাবা দিবস হিসাবে পালন করা হলেও অন্যান্য দিন বা সময়ে আমরা বাবাদের তেমন কোন খুঁজ খবর রাখি না। আমরা যদি প্রকৃতি পক্ষেই বাবাদের ভালোবাসতাম তা হলে শেষ বয়সে বাবাদের স্থান বৃদ্ধাশ্রমে হতো না। বাবারা কস্ট করে সন্তানদের লালন পালন করেন। নিজে না খেয়ে সন্তানের মুখে আহার তুলে দেওয়ার জন্য রাত-দিন পরিশ্রম করে যান। সেই বাবা কি কোন দিন ভেবে ছিল সন্তান বড় হয়ে তাদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে?
আসুন আজ বাবা দিবসে শপথ করি বাবা-মাদের আশ্রয় বৃদ্ধাশ্রমে নয় তাঁদের আশ্রয়স্থল হোক সন্তানের ঘর। তাহলেই বাবা দিবস স্বার্থক হবে