জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল,
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বেগম খালেদা জিয়ার নামে করার দাবি
জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন হওয়ায় বগুড়া জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আনন্দ মিছিলটি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাতমাথায় গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলের আগে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উত্তরবঙ্গে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তারা বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বগুড়া দীর্ঘদিন ধরেই রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অন্যতম সেরা ফলাফল অর্জন করে আসছে। তাই বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়োপযোগী ও জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন।
সমাবেশে বক্তারা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামস ইসলাম সাগর, সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুদুর রহমান সাঞ্জার এবং বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আসাদ সিদ্দিকী রাকিব।
বক্তব্যে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ বলেন, জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদনের মাধ্যমে বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। তিনি দাবি জানান, নবগঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া-এর নামে নামকরণ করা হোক। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বগুড়ার সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান।
পরে আনন্দ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাতমাথায় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সমাপনী বক্তব্য দেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্যাতন-নিপীড়নের পর বগুড়াবাসীর উন্নয়ন ও শিক্ষার জন্য যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সরকারের প্রতি বগুড়াবাসী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বগুড়া জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলে উত্তরবঙ্গের উচ্চশিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।
আনন্দ মিছিলে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান, এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুদুর রহমান সানজাদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আসাদ সিদ্দিকী রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক শামস ইসলাম সাগর, উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মশিউর রহমান, আরিফুল ইসলাম, শরীফ হাসান নিরব, সাদ্দাম হোসেন,অভি,, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিহাদ হোসেন, ইমরান, স্বচ্ছ, আতিক, জাকির, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. জিতু, স্বপ্ন, বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ওহাব রিয়াজ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলম হাসান, সদস্য সচিব সম্রাট তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মেরাজুল ইসলাম মিলন ও জাবির; কাহালু উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল আল ছোটন; গাবতলী উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডেটল ও সাধারণ সম্পাদক রাঙ্গা; সারিয়াকান্দি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রাঙ্গা; নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক তারেক; শাজাহানপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মধু ও সাধারণ সম্পাদক হাবিব; দুপচাঁচিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি শামীম ও সাধারণ সম্পাদক রাব্বি; আদমদীঘি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাকিব ও সাধারণ সম্পাদক সোহান; শিবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাহি ও সাধারণ সম্পাদক মুন; শেরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরমান ও সদস্য সচিব শাহাদত হোসেন; বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রেদওয়ানুল ইসলাম আকিব, সদস্য সচিব কাউসার হাবিব সাকিব, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হোসাইন সহ বগুড়া জেলা ছাত্রদলের ২৮টি ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।