১ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বগুড়ার উন্নয়নে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

নিউজ ডেস্কঃ প্রকাশিত: অগাস্ট ২, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ন
বগুড়ার উন্নয়নে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

বগুড়ার উন্নয়নে একবিন্দু ছাড় দেওয়া হবে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

 

​স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যতই সমালোচনা হোক না কেন, আমিসহ বগুড়ার সাত সংসদ সদস্য জেলার উন্নয়নের প্রশ্নে একবিন্দু ছাড় দিতে রাজি নই। বিগত ২০ বছর ধরে অবহেলিত ও বঞ্চিত বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ ও সিটি করপোরেশনের মতো যেসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা কেবল দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করার প্রয়াস।

​রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে বগুড়ার মম ইন হোটেলের অডিটোরিয়ামে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “বগুড়া নিয়ে অনেকের নানা ধরনের অভিযোগ থাকে; কিন্তু এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বগুড়া। স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও দেশে কাঙ্ক্ষিত হাইটেক পার্ক তৈরি সম্ভব হয়নি। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশের তরুণরা হাইটেক পার্কের মাধ্যমে রেমিটেন্স আনছে। বর্তমান সরকারের আগামী দেড় বছরে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

​তিনি জানান, এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় ১১ হাজার ২০০ জন যুবক ও তরুণীকে আইটি ও এআই বিষয়ে প্রশিক্ষিত করা হবে। প্রয়োজনে কালিয়াকৈরের রেডি হাইটেক পার্ক চালু করে তরুণদের উচ্চমানের ইন্টারনেট সুবিধার আওতায় আনা হবে।

​উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাই অনুযায়ী বগুড়া থেকে মাদারগঞ্জ পয়েন্টেই দ্বিতীয় যমুনা সেতু হওয়া উচিত এবং বগুড়াবাসী এই সেতু এখানেই প্রত্যাশা করে।

​শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহু প্রতীক্ষিত বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বহুমাত্রিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের আইনি প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং শহরতলির সুবিধাজনক স্থানে এটি স্থাপন করা হবে। এছাড়া বগুড়ার তিনমাথা এলাকায় বহুমাত্রিক সুবিধার আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

​অনুষ্ঠানে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বগুড়ার ১২টি উপজেলায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে তরুণ-তরুণীদের আরও বেশি দক্ষ ও স্বাবলম্বী করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।