১ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বগুড়ায় রিসোর্টে ক্লুলেস ডাকাতি: ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ৩, লুটের মালামাল উদ্ধার

নিউজ ডেস্কঃ প্রকাশিত: অগাস্ট ১১, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ন
বগুড়ায় রিসোর্টে ক্লুলেস ডাকাতি: ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ৩, লুটের মালামাল উদ্ধার

বগুড়ায় রিসোর্টে ক্লুলেস ডাকাতি: ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ৩, লুটের মালামাল উদ্ধার

বগুড়ায় ‘গ্রীন গার্ডেন’ রিসোর্টে সংঘটিত ক্লুলেস ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুট হওয়া তিনটি ওয়াল ফ্যান ও ৪২ কেজি তামার তার উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৯ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার জামাদারপুকুর এলাকায় গ্রীন হাউজিং অ্যান্ড এনার্জি লিমিটেডের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘গ্রীন গার্ডেন’ রিসোর্টে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। একদল দুর্বৃত্ত রিসোর্টের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে কর্তব্যরত গার্ড ও কর্মীদের মারধর করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে তাদের হাত-পা বেঁধে রিসোর্টের বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

লুট হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ২০টি ওয়াল ফ্যান, একটি গ্যাসের চুলা, একটি ১২ ভোল্টের বড় ব্যাটারি এবং তিনটি ট্রান্সফরমার থেকে বৈদ্যুতিক কয়েল। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৫০০ টাকা।

এ ঘটনায় শাজাহানপুর থানায় গত ১ আগস্ট মামলা করা হয়।

মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ পিপিএমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল ১১ আগস্ট ভোরে শেরপুর, শাজাহানপুর ও বগুড়া সদর এলাকায় অভিযান চালায়। ডিবির অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল বাহারের তত্ত্বাবধানে এসআই মো. ফজলুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে প্রথমে শাজাহানপুরের সরদারপাড়া এলাকার মো. আল আমিনকে (৪১) গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়া সদর উপজেলার পূর্ব গোদারপাড়া এলাকা থেকে মো. বাবলু প্রাংকে (৫০) গ্রেপ্তার করা হয়। তার শয়নকক্ষ থেকে তিনটি পুরোনো সাদা রঙের ওয়াল ফ্যান উদ্ধার করা হয়।

বাবলু প্রাংয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়া সদর থানার মাটিডালী বিমান মোড় এলাকার একটি ভাঙারি দোকান থেকে পাবনার বেড়া উপজেলার মো. তামিম হাসান হৃদয়কে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৪২ কেজি তামার তার উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার তিনজনই আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আল আমিনের বিরুদ্ধে চোরাচালান ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা এবং বাবলু প্রাংয়ের বিরুদ্ধে মাদক, চুরি ও অস্ত্রসহ ছয়টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।