১ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আদালতের ডিগ্রি ও বাটোয়ারা দলিলের সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

বগুড়া প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: অগাস্ট ১৯, ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
আদালতের ডিগ্রি ও বাটোয়ারা দলিলের সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

আদালতের ডিগ্রি ও বাটোয়ারা দলিলের সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

বগুড়া প্রতিনিধি: আদালতের চূড়ান্ত ডিগ্রি ও বাটোয়ারা দলিল অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বগুড়ায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, বগুড়া সদর উপজেলার ফুলবাড়ী মৌজার সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ১৯৪৬ সালের ১১২/৪৬ নম্বর চূড়ান্ত ডিগ্রি অনুযায়ী নির্ধারিত। পরবর্তীতে উত্তরাধিকারীগণ নিজেদের মধ্যে একাধিক বাটোয়ারা দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে পৃথক পৃথক অংশ বুঝে নেন এবং দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ অংশ ভোগদখল করে আসছেন। একইভাবে পৃথক মাঠ রেকর্ড সম্পন্ন ও আলাদা নকশাও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

অভিযোগকারীদের দাবি, সম্প্রতি বৃন্দাবনপাড়ার নওশাদুর রহমান নিশান মন্ডল ও তার সহযোগীরা তাদের ভোগদখলীয় সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করছেন। সেখানে নির্মাণকাজেরও চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

 বিষয়ে ইতোমধ্যে বগুড়া সিটি করপোরেশনে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগের পরও সংশ্লিষ্টদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

এ অবস্থায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও ভূমি প্রশাসনের প্রতি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে আদালতের চূড়ান্ত ডিগ্রি ও বাটোয়ারা দলিল অনুযায়ী তাদের বৈধ ভোগদখলীয় সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

ভুক্তভোগী বলেন, তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই কোনো ধরনের সংঘাতে না গিয়ে প্রশাসনের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান চান।

তফসিলি সম্পত্তির বিবরণ:

জেলা—বগুড়া, সদর উপজেলা; মৌজা—ফুলবাড়ী; জেএল নং—৮৬; সিএস খতিয়ান নং—৭১২; এসএ/এমআরআর খতিয়ান নং—৯২২; মাঠ খতিয়ান নং—১১৭৫০; ডিপি নং—১০৪২; সাবেক দাগ নং—১৭৭৭; হাল দাগ নং—১১৬৩৩; জমির পরিমাণ—২৬ শতক।